মাদক-কিশোর গ্যাং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতার ওপর জোর
asif
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
চাঁদপুর প্রতিনিধি- : মাদক, কিশোর গ্যাং, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ নির্মূলে সামাজিক সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএমএন জামিউল হিকমা। গত রোববার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। ইউএনও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। চাঁদপুর সদর উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।’ অপরাধ দমনে আগাম সতর্কতার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মাদক, কিশোর গ্যাং, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, চুরি-ছিনতাইসহ সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আগাম তথ্য ও কার্যকর পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও কোনো অনিয়ম, অপরাধ বা অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করুন। প্রশাসন শুধু ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেবে না, বরং সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।’ ইউনিয়ন পরিষদসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে ইউএনও বলেন, ‘দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা বেআইনি কর্মকা- যাতে প্রশ্রয় না পায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি বাজার, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে নজরদারি বৃদ্ধি, যানজট নিরসন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে।’ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন চাঁদপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পি দত্ত রনি, চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফয়েজ আহমেদ, চাঁদপুর সদর নৌ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন, এলজিইডি চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাহাত আমিন পাটোয়ারী, ফরাক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রেজাউল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপন রায় এবং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মুনিরা বেগম চৌধুরী, হযরত আলী বেপারী ও শাহজালাল মিশন।
