সূরা নমল
পারা ১৯-২০, আয়াত ৯৩, রুকু ৭ (মাক্কী)
৬৭-৬৮. সত্য অস্বীকারকারীরা বলে, ‘আমরা ও আমাদের বাপদাদারা মাটিতে মিশে যাওয়ার পরও কি কবর থেকে আমাদের পুনরুত্থিত করা হবে? আমাদের ন্যায় আমাদের পূর্বপুরুষদেরও এ ব্যাপারে অতীতে ভয় দেখানো হয়েছে। এগুলো সেকেলে কল্পকাহিনী ছাড়া কিছুই নয়।’
৬৯-৭০. (হে নবী!) ওদের বলো, ‘পৃথিবী ভ্রমণ করো এবং দেখ, অপরাধীদের পরিণতি কী হয়েছিল!’ আর (হে নবী!) তুমি ওদের বিভ্রান্ত দেখে দু:খ কোরো না বা ওদের ষড়যন্ত্রেও মন:ক্ষুণœ হয়ো না।
৭১-৭২. ওরা বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বলো, এই আজাব কবে আসবে? ওদের বলো, ‘(অজ্ঞতাবশত) যা তোমরা ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছ, তার অংশবিশেষ হয়তো তোমাদের ঘাড়ের কাছেই এসে গেছে।’
সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১২০৫
আনাস ইব্নু মালিক (রা:) হতে বর্ণিত-
মুসলিমগণ সোমবার (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওফাতের দিন) ফজরের সালাতে ছিলেন, আবু বকর (রা:) তাঁদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন। নবী (ﷺ) আয়েশা (রা:)-এর হুজরার পর্দা সরিয়ে তাঁদের দিকে তাকালেন। তখন তাঁরা সারিবদ্ধ ছিলেন। তা দেখে তিনি মৃদু হাসলেন।
তখন আবু বকর (রা:) তাঁর গোড়ালির উপর ভর দিয়ে পিছে সরে আসলেন। তিনি ধারণা করলেন যে, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) সালাতের জন্য আসার ইচ্ছা করছেন। নবী (ﷺ)-কে দেখার আনন্দে মুসলিমগণের সালাত ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তখন তিনি সালাত সুসম্পন্ন করার জন্য তাদের দিকে হাতে ইঙ্গিত করলেন। অত:পর তিনি হুজরায় প্রবেশ করেন এবং পর্দা ছেড়ে দেন আর সে দিনই তাঁর মৃত্যু হয়।
