সূরা কাসাস
পারা ২০, আয়াত ৮৮, রুকু ৯ (মাক্কী)
তা-সীন-মীম। ২. এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত। ৩. বিশ^াসীদের কল্যাণের জন্যে তোমার কাছে আমি মুসা ও ফেরাউনের ঘটনা যথাযথভাবে বয়ান করছি।
৪. ফেরাউন অহংকারী ও ক্ষমতাদর্পী হয়ে সীমালঙ্ঘন করেছিল। দেশের অধিবাসীদের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে একটি সম্প্রদায়ের ওপর সে নির্মম নিপীড়ন চালাচ্ছিল। সে তাদের পুত্রসন্তানদের হত্যা করত এবং কন্যাসন্তানকে (ভবিষ্যতে দাসী করার জন্যে) বাঁচিয়ে রাখত। সে ছিল চরম অত্যাচারী।
৫-৬. কিন্তু আমি অনুগ্রহ করে এই নিপীড়িতদেরই দেশের উত্তরাধিকারী এবং বিশ^াসের ক্ষেত্রে অগ্রপথিক বানাতে চাচ্ছিলাম। ফেরাউন, হামান ও তার নিষ্ঠুর বাহিনী এই নিপীড়িত জনগোষ্ঠী থেকে যা আশঙ্কা করছিল, আমি চাচ্ছিলাম তাকেই বাস্তব রূপ দিতে।
সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১২১২
‘আয়িশা (রা:) হতে বর্ণিত-
একবার সূর্যগ্রহণ হলো। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) (সালাতে) দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘ সূরা পাঠ করলেন, অত:পর রুকু করলেন, আর তা দীর্ঘ করলেন। অত:পর রুকু হতে মাথা তুলেন এবং অন্য একটি সূরা পাঠ করতে শুরু করলেন। পরে রুকু সমাপ্ত করে সিজদা করলেন। দ্বিতীয় রাকাতে এরূপ করলেন। অত:পর বললেন: এ দুটি (চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ) আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। তোমরা তা দেখলে গ্রহণ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে। আমি আমার এ স্থানে দাঁড়িয়ে, আমাকে যা ওয়াদা করা হয়েছে তা সবই দেখতে পেয়েছি। এমনকি যখন তোমরা আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে দেখেছিলে তখন আমি দেখলাম যে, জান্নাতের একটি (আঙ্গুর) গুচ্ছ নেয়ার ইচ্ছা করছি এবং জাহান্নামে দেখতে পেলাম যে, তার একাংশ অন্য অংশকে ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলছে। আর যখন তোমরা আমাকে পিছনে সরে আসতে দেখেছিলে আমি দেখলাম সেখানে আমর ইবন লুহাইকে যে সায়িবা প্রথা প্রবর্তন করেছিল।
