Logo
Logo
×

উপসম্পাদকীয়

বিরল খনিজ নিয়ে উত্তপ্ত বিশ^

asif

asif

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম

বিরল খনিজ নিয়ে উত্তপ্ত বিশ^

মো: বজলুর রশীদ
বর্তমানে বৈশি^ক ভূ-রাজনীতি, বাণিজ্য যুদ্ধ এবং সম্ভাব্য সামরিক সঙ্ঘাতের অন্যতম প্রধান অনুঘটক হলো বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ (জধৎব ঊধৎঃয ঊষবসবহঃং ্ ঈৎরঃরপধষ গরহবৎধষং)। বিংশ শতাব্দীতে খনিজ তেল (চবঃৎড়ষবঁস) যেভাবে বৈশি^ক রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করত, একবিংশ শতাব্দীতে এই বিরল খনিজগুলোরও সেই একই ভূমিকা।

মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের অস্ত্রের কাঁচামালের জন্য চীনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। রাডার, গাইডেড মিসাইল, স্যাটেলাইট, স্টিলথ ফাইটার জেট এবং পরমাণু সাবমেরিনের মতো উচ্চ প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে এই খনিজগুলো অপরিহার্য। চীন যদি এই সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়, তবে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় সঙ্কটে পড়বে। এই ঝুঁকির কারণেই দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে। বিশে^র সবচেয়ে উন্নত মাইক্রোচিপ তৈরি হয় তাইওয়ানে (ঞঝগঈ-এর মাধ্যমে)। আর এই চিপ তৈরির মূল কাঁচামাল, গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম সরবরাহ করে চীন। আমেরিকা ও তার মিত্ররা তাইওয়ানকে রক্ষা করতে চায়, যার অন্যতম প্রধান কারণ চিপ সরবরাহ সচল রাখা। অন্যদিকে চীন এই চিপ শিল্পের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। চিপ ও এর কাঁচামালকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ চীন সাগরে যেকোনো সময় বড় ধরনের সামরিক সঙ্ঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।

বৈশি^ক উষ্ণতা রোধে পুরো বিশ^ এখন জীবাশ্ম জ্বালানি (তেল-গ্যাস) ছেড়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ঊঠ) এবং নবায়নযোগ্য শক্তির (সোলার ও উইন্ড টারবাইন) দিকে ঝুঁকছে। এই রূপান্তরের জন্য লিথিয়াম, কোবাল্ট ও রেয়ার আর্থ বা বিরল খনিজ অপরিহার্য। যে দেশ এই খনিজগুলোর সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রণ করবে, আগামী দিনে বৈশি^ক অর্থনীতি তাদের ইশারাতেই চলবে। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের এই একচেটিয়া বাজার ভাঙার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে, ফলে, এসব দেশ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধকে চরম রূপ দিচ্ছে।

বৈশি^ক শক্তির এই খনিজ যুদ্ধ শুধু নিজেদের সীমান্তে সীমাবদ্ধ নয়, এটি ছড়িয়ে পড়েছে খনিজ সমৃদ্ধ আফ্রিকার দেশগুলোতেও। বিশে^র ৭০ শতাংশ কোবাল্ট পাওয়া যায় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে। কঙ্গো, জাম্বিয়া বা জিম্বাবুয়ের মতো দেশগুলোর খনি দখল করার জন্য চীন, রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলো পর্দার আড়ালে কাজ করছে। চীনের রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে আফ্রিকার বেশির ভাগ বড় খনি কিনে নিয়েছে। অন্য দিকে রাশিয়া তাদের ওয়াগনার (ডধমহবৎ মার্সেনারি গ্রুপের মতো বেসরকারি সেনা পাঠিয়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের খনি অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করছে। এর ফলে ওই অঞ্চলগুলোতে গৃহযুদ্ধ, রাজনৈতিক অভ্যুত্থান এবং অস্থিরতা লেগেই রয়েছে।

এই খনিজ সঙ্কট বিশ^ রাজনীতিতে নতুন নতুন সামরিক ও অর্থনৈতিক জোটের জন্ম দিচ্ছে। চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গরহবৎধষং ঝবপঁৎরঃু চধৎঃহবৎংযরঢ় (গঝচ) গঠিত হয়েছে, যেখানে ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো একজোট হয়েছে। একমাত্র উদ্দেশ্য চীনের খনিজ একাধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

বিরল খনিজ পদার্থ বলতে প্রধানত ১৭টি ধাতব মৌলকে বোঝানো হয়, যার মধ্যে স্ক্যান্ডিয়াম, ইট্রিয়াম এবং ল্যান্থানাইড সিরিজের ১৫টি মৌল অন্তর্ভুক্ত। এই খনিজগুলো তাদের অনন্য চৌম্বকীয় এবং বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার ও অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তিতে এদের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এদের বিরল বলা হয় কারণ, এগুলো সহজে পৃথক করা কঠিন।

বিরল খনিজের মজুদ ১২০ মিলিয়ন টন, যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আছে চীনে। মিয়ানমারে পাওয়া কিয়াওথুয়াইট পৃথিবীর সবচেয়ে বিরল খনিজ। ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিরল মাটির খনিজ উৎপাদনে শীর্ষে ছিল। চীন এখন ৯৭ শতাংশ উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে।

পশ্চিম এশিয়ায় পরবর্তী কৌশলগত লড়াই তেলক্ষেত্র বা গ্যাস পাইপলাইন নিয়ে নাও হতে পারে, তবে বিরল খনিজ নিয়ে লড়াই হতে পারে। বর্তমানে বিশ^ জ্বালানি ব্যবস্থা ঐতিহাসিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর সরবরাহ সুরক্ষিত করার ক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। যেসব দেশ একসময় তেলের মজুদের ওপর গুরুত্ব দিত, তারা এখন খনি, খনিজ প্রক্রিয়াকরণ এবং ব্যাটারি উৎপাদনে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। চীন ইতোমধ্যে এই সরবরাহ চেইনের বড় অংশে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ চীনা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতার ওপর তাদের নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ভারত, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়াও দীর্ঘমেয়াদি খনিজ নিরাপত্তা চাইছে। এই বিবর্তিত ল্যান্ডস্কেপে পশ্চিম এশিয়া আছে অনন্য অবস্থানে। কারণ, ঐতিহ্যগতভাবে হাইড্রোকার্বনের সরবরাহকারী হলেও অঞ্চলটি শিগগিরই উদীয়মান খনিজ অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ কুশীলব হয়ে উঠতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর ওপর প্রতিযোগিতা কেবল একটি অর্থনৈতিক সমস্যা নয়। এটি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার রাজনীতির একটি কেন্দ্রীয় উপাদান হয়ে উঠছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খনিজ নিরাপত্তাকে প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য বলে মনে করে। চীন খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খলের নিয়ন্ত্রণকে একটি কৌশলগত সম্পদ হিসাবে বিবেচনা করে। সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে প্রকাশিত দুর্বলতা হ্রাস করতে ইউরোপ বৈচিত্র্য চায়। ফলস্বরূপ, বিনিয়োগ চুক্তি, অবকাঠামো প্রকল্প, পরিবহন করিডোর এবং বাণিজ্য অংশীদারত্বকে খনিজ সুরক্ষায় ক্রমবর্ধমানভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়া খুব শিগগিরই এই প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বৈদ্যুতিক গতিশীলতা, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং ডিজিটাল অবকাঠামো বিশ^ব্যাপী প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে তাদের গুরুত্ব আরো বাড়বে। পশ্চিম এশিয়ার সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি কেবল কাঁচা সম্পদের সরবরাহকারী হিসাবে থাকবে নাকি ভবিষ্যতের বিশ^ অর্থনীতিকে সংজ্ঞায়িত করবে এমন শিল্পের সক্রিয় অংশীদার হবে।

জ্বালানি নিয়ে পরবর্তী মহা যুদ্ধ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

আফগানিস্তানে বিপুল অব্যবহৃত খনিজ ভা-ার রয়েছে- লিথিয়াম, তামা ও বিরল মৃত্তিকা উপাদানসহ। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলে দেশটি এশিয়ার অন্যতম প্রধান খনিজ সরবরাহকারী হয়ে উঠতে পারে। ইতোমধ্যে চীন আগ্রহী হয়ে উঠেছে, অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তিও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইরানের সুবিধা শুধু তেল-গ্যাস বা ভৌগোলিক অবস্থানে সীমাবদ্ধ নয়- দেশটির রয়েছে উল্লেখযোগ্য খনিজসম্পদ, শিল্প অবকাঠামো ও প্রকৌশল দক্ষতা। পারস্য উপসাগর, মধ্য এশিয়া, ককেশাস ও দক্ষিণ এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে ইরান আঞ্চলিক খনিজ বাণিজ্যের ট্রানজিট ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে, যা তাকে কেবল কাঁচামাল রফতানির বাইরে গিয়ে উচ্চ-মূল্যের উৎপাদনে অংশ নিতে সাহায্য করবে।

এখন সতর্ক করা হচ্ছে যে, শুধু খনিজ উত্তোলনের ওপর নির্ভর করা ভুল হবে- প্রকৃত অর্থনৈতিক মূল্য নিহিত রয়েছে প্রক্রিয়াকরণ, পরিশোধন ও উৎপাদনে। তাই পশ্চিম এশীয় দেশগুলোর উচিত খনিজ কৌশলকে শিল্প নীতি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে যুক্ত করা, নইলে তারা পুরনো কাঁচামাল-নির্ভরতার ফাঁদেই আটকে থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থে চীনের দখল ভাঙতে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগবে। বিশেষ করে চীনের দশকব্যাপী বিনিয়োগ ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণের কারণে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিরল খনিজে প্রবেশাধিকার বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন; মজুদ গড়ে তোলা, খনিজ প্রকল্পে বিনিয়োগ, কানাডার দু’টি খনি কোম্পানিতে অংশীদারত্ব এবং পাকিস্তান ও ইউক্রেনের সাথে চুক্তি করেছেন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সাথে ৮.৫ বিলিয়ন ডলারের যৌথ প্রকল্পে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার খনিজ মজুদ চীনের তুলনায় মাত্র এক-সপ্তমাংশ, ফলে এককভাবে চীনের জায়গা নিতে পারবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ২০৩০ সালের মধ্যে নিজস্ব প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতা ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও জাপানও চীনের বাইরে খনিজ উৎসে বিনিয়োগ করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন বর্তমানে বিশে^ ৭০ শতাংশ খনিজ উত্তোলন এবং ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এই আধিপত্য এসেছে ৩০ বছরের রাষ্ট্রীয় কৌশল, বিনিয়োগ এবং বাজার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে।

চীন এখন কাঁচামাল থেকে চূড়ান্ত উৎপাদন পর্যন্ত পুরো চেইন নিয়ন্ত্রণ করে। ডিসেম্বর থেকে চীন বিরল খনিজ চুম্বক ও সেমিকন্ডাক্টর উপাদান রফতানিতে নতুন লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে, যা বিশ^জুড়ে সরবরাহ চেনে বড় ধরনের বিঘœ ঘটাতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নতুন নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর হলে বর্তমান রফতানি নিয়ন্ত্রণের তুলনায় এটি ‘তুচ্ছ’ মনে হবে। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষক রস চ্যান্ডলার বলেন, ‘চীন শুধু খনন নয়; বরং মধ্যবর্তী প্রক্রিয়াকরণ, পরিশোধন ও ধাতু উৎপাদনে আধিপত্য বিস্তার করেছে। এই দক্ষতা অন্য কোথাও গড়ে তোলা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।’

বিশে^র বিভিন্ন দেশে বিরল খনিজের মজুদ থাকলেও, প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতা কম। নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক রহমান দাইয়ান বলেন, ‘যদি সব পরিকল্পিত প্রকল্প, পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ এবং মজুদ কৌশল সফল হয়, তাহলে ২০৩০ সালের পর পশ্চিমা দেশগুলো চাহিদার বড় অংশ পূরণ করতে পারবে।’ তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, চীনের ওপর নির্ভরতা কমলেও যুক্তরাষ্ট্র-চীন কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমবে না; বরং প্রতিযোগিতা নতুন খাত ও মূল্য চেনে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব ও গ্রন্থকার
 

সম্পর্কিত খবর

প্রাথমিক শিক্ষায় প্রত্যাশা নাকি প্রচেষ্টা

প্রাথমিক শিক্ষায় প্রত্যাশা নাকি প্রচেষ্টা

আস্থার সঙ্কটে চিকিৎসাব্যবস্থা

আস্থার সঙ্কটে চিকিৎসাব্যবস্থা

ডেঙ্গু কেবল রোগ নয়, জনস্বাস্থ্য-নিরাপত্তার ইস্যু

ডেঙ্গু কেবল রোগ নয়, জনস্বাস্থ্য-নিরাপত্তার ইস্যু

শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল

শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল

কঠোর প্রয়োগ ছাড়া ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন ফলদায়ক নয়

কঠোর প্রয়োগ ছাড়া ধূমপান নিয়ন্ত্রণ আইন ফলদায়ক নয়

ফটোগ্রাফি অত্যন্ত প্রভাবশালী শিল্পমাধ্যম

ফটোগ্রাফি অত্যন্ত প্রভাবশালী শিল্পমাধ্যম

Logo

সম্পাদক : এস.এম জাহিদ আনোয়ার শামীম