আল কোরআন
সূরা ফোরকান
পারা ১৮-১৯, আয়াত ৭৭, রুকু ৬ (মাক্কী)
৫৪. তিনি এই পানি থেকেই মানুষ সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি মানুষকে বংশগত ও বৈবাহিক সম্পর্ক সম্বন্ধে সচেতন করেছেন। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক সর্বশক্তিমান। ৫৫. কিন্তু তা সত্ত্বেও কিছু মানুষ আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর উপাসনা করে, যা তাদের কোনো উপকার বা অপকার কিছুই করতে পারে না। আর সত্য অস্বীকারকারীরা তো স্বীয় প্রতিপালকেরই অবাধ্যতা করছে!
৫৬-৫৭. হে নবী! আমি তো তোমাকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবেই প্রেরণ করেছি। তাই ওদেরকে বলো, ‘আমি তো এই কাজের বিনিময়ে তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না। (আমি শুধু চাই) তোমরা স্বেচ্ছায় প্রতিপালকের পথ অনুসরণ করো।’
৫৮. হে নবী! ভরসা রাখো সেই চিরঞ্জীব অস্তিত্বের ওপর, যাঁর মৃত্যু নেই। সবসময় তাঁর সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো। তিনি তাঁর বান্দাদের পাপ সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল।
আল হাদিস
সালাতে কসর করা সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১১৯
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা:) হতে বর্ণিত-
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বসে সালাত আদায় করতেন। বসেই তিনি কিরাত পাঠ করতেন। যখন তাঁর কিরাতের প্রায় ত্রিশ বা চল্লিশ আয়াত বাকী থাকত, তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং দাঁড়িয়ে তা তিলাওয়াত করতেন, অত:পর রুকু করতেন; পরে সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাকাতেও তেমনই করতেন। সালাত শেষ করে তিনি লক্ষ্য করতেন, আমি জেগে থাকলে আমার সাথে কথা বলতেন আর ঘুমিয়ে থাকলে তিনিও শুয়ে পরতেন।
