আল কোরআন
সূরা ফোরকান
পারা ১৮-১৯, আয়াত ৭৭, রুকু ৬ (মাক্কী)
৬৪-৬৬. (দুই) যারা রাত কাটায় তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে দ-ায়মান হয়ে বা সেজদারত অবস্থায়। যারা প্রার্থনা করে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! জাহান্নাম থেকে আমাদের দূরে রাখো। জাহান্নামের আজাব সর্বনাশা আজাব। নিশ্চয়ই অস্থায়ী বা স্থায়ী নিবাস হিসেবে সবচেয়ে জঘন্য!’
৬৭. (তিন) যারা কখনো অপচয় করে না, কার্পণ্যও করে না; বরং ব্যয়ে মধ্যপন্থা অবলম্বন করে। ৬৮. (চার) যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্যের উপাসনা করে না। (পাঁচ) সঙ্গত কারণ ছাড়া আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন, তাকে হত্যা করে না। (ছয়) ব্যভিচার করে না। যে এ অন্যায়গুলো করবে, সে তার উপযুক্ত শাস্তি পাবে।
৬৯-৭০. (হে মানুষ!) কেয়ামতের দিন অপরাধের শাস্তি হবে বহুগুণ ও লাঞ্ছনাপূর্ণ। তবে যারা তওবা করে, বিশ^াস করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ পুণ্যের দ্বারা তাদের পাপমোচন করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরমদয়ালু। ৭১. আসলে যে তওবা করে এবং তারপর নিজেকে সৎকর্মে নিয়োজিত করে, সে যথার্থই আল্লাহর পথে ফিরে আসে।
আল হাদিস
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১২১
সালিম (রা:) তাঁর পিতা হতে বর্ণিত-
নবী (ﷺ)-এর জীবিতকালে কোন ব্যক্তি স্বপ্ন দেখলে তা আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর খিদমতে বর্ণনা করত। এতে আমার মনে আকাক্সক্ষা জাগল যে, আমি কোন স্বপ্ন দেখলে তা আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর নিকট বর্ণনা করব। তখন আমি যুবক ছিলাম। আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সময়ে আমি মসজিদে ঘুমাতাম।
আমি স্বপ্নে দেখলাম, যেন দুজন ফেরেশতা আমাকে ধরে জাহান্নামের দিকে নিয়ে চলেছেন। তা যেন কূপের পাড় বাঁধানোর ন্যায় পাড় বাঁধানো। তাতে দুটি খুঁটি রয়েছে এবং এর মধ্যে রয়েছে এমন কতক লোক, যাদের আমি চিনতে পারলাম। তখন আমি বলতে লাগলাম, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই। তখন অন্য একজন ফেরেশতা আমাদের সঙ্গে মিলিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন, ভয় পেয়ো না।
