ওয়েলসের বিপক্ষে পর্তুগালের আগের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগই পেলেন না তিনি। তাকে বেঞ্চে বসিয়ে রেখে আর্লিং হালান্ডের নরওয়েকে ২-১ গোলে হারাল পর্তুগাল। বিশ^কাপের পরও রোনালদো পর্তুগালের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ওয়েলসের বিপক্ষে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। তার সুযোগ নষ্টের পরও ১-০ গোলের জয়ে নেশনস লিগ শুরু করেছিল পর্তুগাল। কিন্তু অসলোতে পুরো ৯০ মিনিট বেঞ্চ গরম করলেন তিনি। তার বদলে জায়গা পাওয়া গনসালো রামোস ৫৪তম মিনিটে গোল করেন এবং সেই গোল ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। নরওয়ে গোলকিপার ওরজান নিল্যান্ডের দুর্বল পাস কেড়ে নিয়ে গোলটি করেন এসি মিলান ফরোয়ার্ড। ম্যাচ শেষে তিনি স্পোর্ট টিভিকে বলেন, ‘প্রত্যেক মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি ডাক পেলে কী করতে পারি এবং দলে কী অবদান রাখতে পারি সেটা দেখানো। এটা ছিল দলের জন্য আমার নিদর্শন, শুধু গোল নয়, মাঠে আমি যা করি সবকিছুই।’ রামোসের গোলের তিন মিনিট আগে হালান্ড নেশনস লিগে রেকর্ড ২২তম গোল করেন। রোনালদো ও সার্বিয়ার আলেক্সান্দার মিত্রোভিচের চেয়ে সাত গোলে এগিয়ে গেলেন তিনি। ম্যানসিটি স্ট্রাইকার নরওয়ের জার্সিতে এনিয়ে তার শেষ ১৭টি ম্যাচে ১৬ গোল করলেন। এই সময়ে বিশ^কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে কেবল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের ম্যাচে গোল ছিল না তার। জোয়াও ফেলিক্স পর্তুগালকে ১৭তম মিনিটে এগিয়ে দেন। এনিয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করলেন তিনি। ওয়েলসের বিপক্ষে একমাত্র গোল ছিল তার। পেদ্রো নেতোর ক্রস পেয়ে নিচু কোনাকুনি শটে জাল কাঁপান তিনি। রামোস ভেবেছিলেন, তিনি স্কোর ৩-১ করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে নিল্যান্ডের আরেকটি ভুলে পাওয়া তার গোলটি ভিএআর চেকের পর অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। পর্তুগাল দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। সমান ম্যাচ খেলে নরওয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে। ডেনমার্ক ২-০ গোলে ওয়েলসকে হারিয়ে সমান পয়েন্ট পেলেও গোলব্যবধানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় স্থানে।
