সূরা নমল
পারা ১৯-২০, আয়াত ৯৩, রুকু ৭ (মাক্কী)
২০-২১. সোলায়মান পাখির দলের দিকে ভালো করে তাকিয়ে বলল, ‘হুদহুদকে দেখছি না কেন? সে কি হাওয়া হয়ে গেছে? উপযুক্ত কারণ না দর্শালে আমি ওকে কঠিন শাস্তি, এমনকি মৃত্যুদ- দেবো।’ ২২-২৩. কিছুক্ষণের মধ্যেই হুদহুদ এসে বলল, আপনি যা অবগত নন, আমি সে-সম্পর্কে জেনে এসেছি। আমি সাবা থেকে সুনিশ্চিত তথ্য নিয়ে এসেছি। আমি সাবাবাসীর ওপর এক নারীকে রাজত্ব করতে দেখেছি। তার সম্পদ উপকরণ উপচে পড়ছে। তার সিংহাসনটিও বিরাট।
২৪-২৬. (হুদহুদ আরো বলল) আমি রানি ও তার সম্প্রদায়কে দেখলাম, আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সেজদা করছে। শয়তান ওদের কার্যাবলিকে ওদের কাছে জৌলুসপূর্ণ ও মোহনীয় করে সৎপথ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে; যাতে করে ওরা মহাবিশে^র সকল রহস্যের উন্মোচক আল্লাহকে সেজদা করা থেকে দূরে থাকে। অথচ মানুষ যা প্রকাশ করে বা নিজের মধ্যে গোপন রাখে, তিনি সবই জানেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি মহা-আরশের একচ্ছত্র অধিপতি। [সেজদা]
২৭-২৮. সোলায়মান বলল, তুমি সত্য বলছ, না মিথ্যা বলছ শিগগিরই এর পরীক্ষা হয়ে যাবে। তুমি আমার এই চিঠি নিয়ে গিয়ে ওদের সামনে ফেলে দাও। দূরে দাঁড়িয়ে ওদের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করো।
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১৮০
ইব্নু ‘উমর (রা:) হতে বর্ণিত-
নবী (ﷺ) হতে আমি দশ রাকাত সালাত আমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রেখেছি। যুহরের পূর্বে দুই রাকাত, পরে দুই রাকাত, মাগরিবের পরে দুই রাকাত তাঁর ঘরে, ইশার পরে দুই রাকাত তাঁর ঘরে এবং দুই রাকাত সকালের (ফজরের) সালাতের পূর্বে। [ইবনু উমর (রা:) বলেন] আর সময়টি ছিল এমন, যখন নবী (ﷺ)-এর নিকট (সচরাচর) কোন লোককে প্রবেশ করতে দেয়া হত না।
