সূরা নমল
পারা ১৯-২০, আয়াত ৯৩, রুকু ৭ (মাক্কী)
৭. স্মরণ করো! মুসা যখন পরিবার-পরিজনদের বলল, ‘আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবত আমি সেখান থেকে তোমাদের জন্যে কোনো সুখবর বা জ্বলন্ত কাঠ আনতে পারব, যাতে তোমরা আগুন পোহাতে পারো।’
৮. মুসা যখন আগুনের কাছে এলো, তখন আওয়াজ হলো, ‘আগুনের আলোর মধ্যে এবং এর চারপাশে যারা আছে তারাই ধন্য। মহাবিশে^র প্রতিপালক আল্লাহ মহাপবিত্র, মহামহিম। ৯. হে মুসা! আমিই আল্লাহ, মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’
১০. (এরপর আল্লাহ বললেন) ‘হে মুসা! তোমার হাতের লাঠি সামনে নিক্ষেপ করো।’ নিক্ষেপ করার পর ওটাকে সাপের মতো ছুটোছুটি করতে দেখে পেছনে আর না তাকিয়েই মুসা উল্টোদিকে দৌড় দিল। (আল্লাহ তখন মুসাকে আবার বললেন) ‘হে মুসা! ভয় পেয়ো না। আমার সামনে রসুলদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। ১১. আর যারা অন্যায় করার পর মন্দের পরিবর্তে ভালো কাজ করে, তাদের প্রতিও আমি অতীব ক্ষমাশীল, পরমদয়ালু। ১২. (হে মুসা!) তোমার হাত তোমার বগলে রাখো, তা শুভ্র ও উজ্জ্বল হয়ে বেরিয়ে আসবে। (হে মুসা! এখন) দুরাচারী ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়ের নিকট এ দুটি নিদর্শনসহ আমার নয়টি নিদর্শন নিয়ে যাও। নিশ্চয়ই ওরা সত্যত্যাগী।’
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১৭৬
’আবদুর রহমান ইব্নু আবূ লায়লা (রহ:) হতে বর্ণিত-
উম্মু হানী (রা:) ব্যতীত অন্য কেউ নবী (ﷺ)-কে চাশতের সালাত আদায় করতে দেখেছেন, এমন আমাদের নিকট কেউ বর্ণনা করেননি। তিনি-উম্মু হানী (রা:)-অবশ্য বলেছেন, নবী (ﷺ) মক্কা বিজয়ের দিন (পূর্বাহ্নে) তাঁর ঘরে গিয়ে গোসল করেছেন এবং আট রাকাত সালাত আদায় করেছেন। (তিনি বলেছেন) আমি আর কখনো (তাঁর) অনুরূপ সংক্ষিপ্ত সালাত দেখিনি; তবে কিরাআত ছাড়া তিনি রুকু ও সিজদা পূর্ণাঙ্গরূপে আদায় করেছিলেন।
