Logo
Logo
×

উপসম্পাদকীয়

প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুন আজ মহাবিপন্ন

asif

asif

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ পিএম

প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুন আজ মহাবিপন্ন

প্রকাশ ঘোষ বিধান
শকুন আমাদের প্রকৃতির এক অসাধারণ বন্ধু। এদের প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী বা প্রাকৃতিক ঝাড়–দার বলা হয়। মৃত পশুপাখি খেয়ে এরা আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখে। প্রকৃতির খাদ্যশৃঙ্খল ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষায় শকুনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে দুঃখের বিষয়, মানুষের নানা কর্মকা- ও পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে এই উপকারী পাখিটি আজ মহাবিপন্ন।

প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম শনিবার আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস পালিত হয়। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে শকুনের অতীব গুরুত্ব ও তাদের সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ^জুড়ে দিনটি উদযাপিত হয়। প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে পরিচিত মহাবিপন্ন এই পাখিটি সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং এর সংরক্ষণে কাজ করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এন্ডেঞ্জার্ড ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট এবং যুক্তরাজ্যের হক কনজারভেন্সি ট্রাস্ট প্রথম যৌথভাবে এই উদ্যোগ নেয়। ২০০৯ সাল থেকে এটি বিশ^ব্যাপী একটি সমন্বিত সচেতনতা ক্যাম্পেইন হিসেবে বড় পরিসরে উদযাপন করা শুরু হয়।

প্রকৃতির অতন্দ্র প্রহরী ও প্রধান পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুন আজ বাংলাদেশে ও বিশে^ মহাবিপন্ন। মৃত প্রাণীর দেহ দ্রুত খেয়ে পরিবেশকে রোগমুক্ত ও গন্ধহীন রাখে এই উপকারী পাখিটি। একটি মৃত প্রাণীর দেহ প্রকৃতিতে পড়ে থাকলে তা পচে যাওয়ার মাধ্যমে নানা ধরনের জীবাণু ও রোগজীবাণুর বিস্তার ঘটাতে পারে। শকুন সেই মৃতদেহ দ্রুত খেয়ে ফেলে প্রাকৃতিকভাবে এই ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। ফলে পরিবেশে রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে শকুনের ভূমিকা এক ধরনের প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যসেবার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।

শকুনের বিলুপ্তির অন্যতম কারণ ছিল গবাদিপশু চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাক ওষুধের ব্যবহার। এই ওষুধ দেওয়া পশু মারা যাওয়ার পর তার মৃতদেহ খেলে শকুনের কিডনি বিকল হয়ে যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই পাখিটি মারা যেতে পারে। একসময় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই ওষুধের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে শকুনের সংখ্যা ভয়াবহভাবে কমে যায়। শকুনের এই দ্রুত পতন প্রকৃতির ওপর মানুষের তৈরি রাসায়নিক হস্তক্ষেপের ভয়াবহ পরিণতির একটি বড় উদাহরণ।

শকুন মাত্র ২০-৩০ মিনিটে একটি বড় মৃতদেহ সম্পূর্ণ খেয়ে সাবাড় করতে পারে। এই প্রাকৃতিক চক্রটি বন্ধ হলে প্রকৃতি তার স্বাভাবিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষমতা হারাবে। মৃত প্রাণীর দেহ দীর্ঘ সময় পড়ে থাকলে সেখানে পচন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং নানা ধরনের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই শকুনকে শুধু একটি পাখি হিসেবে দেখলে চলবে না; এটি প্রকৃতির নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রকৃতির ঝাড়–দার হিসেবে পরিচিত শকুন হারিয়ে গেলে আমাদের পরিবেশ এক মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শকুন মূলত মৃত পশুপাখি খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে এবং প্রাকৃতিকভাবে জীবাণু ধ্বংস করে। এদের পেটে থাকা শক্তিশালী এসিড অ্যানথ্রাক্স, জলাতঙ্ক বা ক্ষুরারোগের মতো মারাত্মক জীবাণু ধ্বংস করে দেয়। ফলে মহামারি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। প্রকৃতির অন্য অনেক প্রাণী যেখানে মৃতদেহ খাওয়ার পর জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সেখানে শকুনের পরিপাকতন্ত্র অনেক ভয়ংকর জীবাণুও ধ্বংস করতে সক্ষম।

শকুন বিলুপ্ত হলে আমাদের পরিবেশে যেসব বড় ধরনের হুমকি তৈরি হবে, তার মধ্যে রোগজীবাণুর বিস্তার অন্যতম। মৃত পশুপাখি মাটিতে পচে অ্যানথ্রাক্স, যক্ষ্মা, জলাতঙ্ক এবং কলেরার মতো মারাত্মক রোগ ছড়াতে পারে। শকুনের পাকস্থলীতে থাকা বিশেষ এসিড এসব জীবাণু হজম করে ধ্বংস করে ফেলতে পারে, যা অন্য কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে একইভাবে কার্যকর নয়। শকুন না থাকলে মৃতদেহ খাওয়ার জন্য বন্য কুকুর, শিয়াল ও ইঁদুরের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে মানুষের মাঝে জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। মৃতদেহ পচে বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে নদী, নালা এবং ভূগর্ভস্থ পানির উৎসও দূষিত হতে পারে।

শকুন কমে যাওয়ার পেছনে শুধু ওষুধের বিষক্রিয়াই দায়ী নয়। আবাসস্থল ধ্বংস, বড় গাছ কেটে ফেলা, খাদ্যের সংকট, পরিবেশ দূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং মানুষের অসচেতনতাও এর জন্য দায়ী। বড় বড় শিমুল, বট বা রেইনট্রি গাছ কেটে ফেলার কারণে শকুন বাসা তৈরির উপযুক্ত জায়গা হারাচ্ছে। বনভূমি ও পুরোনো বড় গাছ কমে যাওয়ায় প্রজননের সুযোগও সংকুচিত হচ্ছে। একটি পাখির বেঁচে থাকার জন্য শুধু খাদ্য থাকলেই হয় না; নিরাপদ আশ্রয়, প্রজননস্থল ও নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশও প্রয়োজন।

খাদ্য সংকটও শকুনের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি। গ্রামাঞ্চলে আগে মৃত গবাদিপশু খোলা জায়গায় পড়ে থাকত এবং শকুন সহজেই সেগুলো খেতে পারত। বর্তমানে অনেক জায়গায় মৃত পশু মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত দিক থেকে অনেক ক্ষেত্রে মৃতদেহ যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন হলেও শকুন সংরক্ষণের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। বিশেষ করে শকুন নিরাপদ এলাকায় নিরাপদ ও বিষমুক্ত খাবারের ব্যবস্থা করা গেলে তাদের খাদ্য সংকট অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেন গবাদিপশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ব্যথানাশক ওষুধ শকুনের জন্য মারাত্মক বিষ। এসব ওষুধ দেওয়া পশুর মাংস খেলে শকুনের কিডনি নষ্ট হয়ে যায় এবং তারা মারা যায়। ফলে শকুন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে শুধু নিষিদ্ধ ওষুধের ব্যবহার বন্ধ করলেই হবে না, বিকল্প নিরাপদ ওষুধ ব্যবহারের বিষয়েও পশু চিকিৎসক, খামারি ও গবাদিপশুর মালিকদের সচেতন করতে হবে। বাজারে নিষিদ্ধ ওষুধের বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে কি না, তাও নিয়মিত নজরদারির আওতায় আনতে হবে।

বাংলাদেশ সরকার শকুনের জন্য ক্ষতিকর ডাইক্লোফেনাক এবং কিটোপ্রোফেন ওষুধের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। শকুনের প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য সিলেট ও সুন্দরবন অঞ্চলকে শকুন নিরাপদ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। শকুনের খাদ্য সংকট দূর করতে আইইউসিএন ও বন বিভাগ নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপদ খাবার সরবরাহ করে। এসব উদ্যোগ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি করতে হবে, যাতে শুধু নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় নয়, দেশের অন্যান্য সম্ভাবনাময় আবাসস্থলেও শকুনের নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করা যায়।

শকুন সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত জরুরি। কোনো একটি এলাকায় শকুনের আবাসস্থল থাকলে স্থানীয় মানুষকে সেই এলাকার গুরুত্ব সম্পর্কে জানাতে হবে। বড় গাছ সংরক্ষণ, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন বন্ধ, বিষাক্ত ওষুধের ব্যবহার সম্পর্কে সতর্কতা এবং আহত শকুন দেখলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শুধু বন বিভাগ বা পরিবেশবাদী সংগঠনের পক্ষে শকুন রক্ষা করা সম্ভব নয়। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সামাজিকভাবে সংরক্ষণ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

শকুনের প্রতি মানুষের একটি নেতিবাচক ধারণাও অনেক ক্ষেত্রে এর সংরক্ষণকে কঠিন করে তোলে। অনেকেই শকুনকে অশুভ বা নোংরা পাখি হিসেবে বিবেচনা করেন। অথচ বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। শকুন প্রকৃতিকে নোংরা করে না, বরং প্রকৃতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের একজন। মৃত প্রাণীর দেহ দ্রুত অপসারণের মাধ্যমে এটি পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখে। তাই শকুন সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করে এর পরিবেশগত গুরুত্ব মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনও বন্যপ্রাণীর ওপর নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং আবাসস্থলের পরিবর্তনের ফলে অনেক পাখির খাদ্য ও প্রজনন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শকুনও এর বাইরে নয়। তাই শকুন সংরক্ষণকে শুধু একটি পাখি রক্ষার কর্মসূচি হিসেবে না দেখে সামগ্রিক জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

শকুনের সংখ্যা ও চলাচল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করাও প্রয়োজন। কোথায় কত শকুন রয়েছে, কোন এলাকায় তারা প্রজনন করছে, কী ধরনের খাদ্য পাচ্ছে এবং কোন কারণে তাদের সংখ্যা কমছে-এসব তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করা দরকার। গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক সংরক্ষণ পরিকল্পনা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে কোনো প্রজাতিকে রক্ষা করা কঠিন। বিশ^বিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, পরিবেশবাদী সংগঠন এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানো প্রয়োজন।

শকুন হারিয়ে গেলে শুধু একটি পাখি হারাবে না, প্রকৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। একটি প্রজাতির বিলুপ্তি কখনোই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এর সঙ্গে খাদ্যশৃঙ্খল, জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ভারসাম্যের সম্পর্ক রয়েছে। তাই শকুনের সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রকৃতির একটি সতর্কসংকেত হিসেবেও দেখা দরকার। আজ শকুন বিপন্ন, আগামী দিনে অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী বা পাখিও একই সংকটে পড়তে পারে।

প্রকৃতিকে সুস্থ রাখতে শকুন বাঁচিয়ে রাখা জরুরি। শকুনের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করা, বিষাক্ত ওষুধের ব্যবহার বন্ধ রাখা, নিরাপদ খাদ্যের ব্যবস্থা করা, বড় গাছ সংরক্ষণ এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে। কোনো প্রাণী বা পাখি মানুষের সরাসরি অর্থনৈতিক উপকার না করলেও পরিবেশের জন্য তার গুরুত্ব অপরিসীম হতে পারে-শকুন তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

শকুন আমাদের পরিবেশের নীরব পরিচ্ছন্নতাকর্মী। তারা কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই প্রকৃতির বর্জ্য অপসারণ করে, রোগজীবাণুর বিস্তার কমায় এবং খাদ্যশৃঙ্খলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। অথচ মানুষের ভুল ও অসচেতনতার কারণে সেই উপকারী পাখিই আজ অস্তিত্বের সংকটে। একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে শকুনসহ সব বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃতির এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মীকে হারিয়ে ফেলার আগে তাদের রক্ষায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট
 

সম্পর্কিত খবর

ওষুধের দাম নির্ধারণে জনস্বার্থকেই প্রাধান্য দিতে হবে

ওষুধের দাম নির্ধারণে জনস্বার্থকেই প্রাধান্য দিতে হবে

ঢলের পানি সীমানা মানে না

ঢলের পানি সীমানা মানে না

বিরল খনিজ নিয়ে উত্তপ্ত বিশ^

বিরল খনিজ নিয়ে উত্তপ্ত বিশ^

প্রাথমিক শিক্ষায় প্রত্যাশা নাকি প্রচেষ্টা

প্রাথমিক শিক্ষায় প্রত্যাশা নাকি প্রচেষ্টা

আস্থার সঙ্কটে চিকিৎসাব্যবস্থা

আস্থার সঙ্কটে চিকিৎসাব্যবস্থা

ডেঙ্গু কেবল রোগ নয়, জনস্বাস্থ্য-নিরাপত্তার ইস্যু

ডেঙ্গু কেবল রোগ নয়, জনস্বাস্থ্য-নিরাপত্তার ইস্যু

Logo

সম্পাদক : এস.এম জাহিদ আনোয়ার শামীম