বিসিবির কাভার্ডভ্যান আটকে লুট করা হলো ক্রিকেটারদের মালামাল
asif
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম
জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডে মিরপুরে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে রাজশাহীতে ফিরেছেন রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটাররা। তবে তাঁদের ৫৪টি লাগেজ ও সরঞ্জাম নিয়ে আগের রাতে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হওয়া বিসিবির একটি কাভার্ডভ্যান নাটোরের হরিশপুর বাইপাস এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারটি লাগেজ উদ্ধার হয়েছে। তবে নগদ তিন লাখ টাকাসহ বেশ কিছু মূল্যবান সামগ্রী এখনো পাওয়া যায়নি। রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটার মহর শেখ জানান, মোটরসাইকেলে করে পাঁচজনের একটি দল কাভার্ডভ্যানটি অনুসরণ করে পথ আটকে লাগেজ ও সরঞ্জাম নিয়ে যায়। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একজন এখনো পলাতক। মহর বলেন, ‘ডাকাতি হয়েছে আসলে। ওরা পাঁচ-ছয়জনের একটা গ্রুপ ছিল। বাইক নিয়ে কাভার্ডভ্যানটা ফলো করতে করতে এসে নাটোর যেটা হরিশপুর বাইপাস বলে, ওখানে কাভার্ডভ্যান আটকায় আর জিনিসগুলো ছিনিয়ে নেয়। মিসিং ছিল যেগুলো, তার মধ্যে অলরেডি চারটা উদ্ধার হয়েছে আর বাকি এখনো চারটার মতো মিসিং আছে। তার মধ্যে আমারটাও মিসিং আছে।’ খোয়া যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল ম্যাসাজ বেড, ব্লেন্ডার, আইফোন ও নগদ টাকা। উদ্ধার হওয়া মালামালের বিষয়ে মহর বলেন, ‘মোটামুটি ইউএস ডলার আর আইফোনটা উদ্ধার করা গেছে। যে তিন লাখ টাকা ছিল, সেটা ব্যাগে পাওয়া যায়নি। আর আমার যে ব্যাগটা ছিল, আমার ব্যাগের মধ্যে স্পিকার, এয়ারপডস আরও অনেক কিছুই ছিল। এটা পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। যে ক্রিমিনালগুলো ধরছে, ওদের পরনে আমার প্যান্ট ছিল। মানে আমার ব্যাগ খুলে ওরা জিনিসপত্র ব্যবহার করছে। এখন পর্যন্ত ওগুলো উদ্ধার হয়নি।’ মহর জানান, প্রথমে এ ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও পরে সেটিকে মামলায় রূপান্তর করা হয়েছে। মেহরাব হোসেনের আইফোন, পাসপোর্ট ও ডলার উদ্ধার হলেও তিন লাখ টাকা পাওয়া যায়নি। দলের ম্যাসাজম্যানের ম্যাসাজ বেড উদ্ধার হয়েছে, তবে তাঁর দুই জোড়া রানিং শু ও ব্লেন্ডার এখনো নিখোঁজ। মহরের ব্যাগের সামগ্রী এবং ক্রিকেটার ওয়ালিদের কাপড়চোপড়ও উদ্ধার হয়নি। উদ্ধার হওয়া মালামালের অগ্রগতি জানিয়ে মহর বলেন, ‘চারজনের চুরি হয়েছিল, দুইজনেরটা পাওয়া গেছে। মানে উদ্ধার হয়েছে। (উদ্ধার) হাফ হয়েছে আর কি।’ পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা গেলে বাকি মালামাল উদ্ধারের আশা করছেন তিনি। মহর বলেন, ‘এখন ওনারা যে কেস হয়েছে, এখন ওনারা রিমান্ডে নিয়ে আর কি জিজ্ঞাসাবাদ করবে। চারজনকে ধরছে, একজন পলাতক আছে। ওকে ধরলে হয়তো সবকিছু পাওয়া যাবে।’
