সূরা নমল
পারা ১৯-২০, আয়াত ৯৩, রুকু ৭ (মাক্কী)
৩৬-৩৭. রানির দূত আসার পর সোলায়মান তাকে বলল, তোমরা কি আমাকে উপঢৌকন দিয়ে তুষ্ট করতে চাও? আল্লাহ তোমাদেরকে যা দিয়েছেন, তার চেয়ে অনেক ভালো জিনিস আমাকে দিয়েছেন। এ উপঢৌকন নিয়ে তোমরা উৎফুল্ল বোধ করতে পারো (আমি নই)। তোমরা রানির কাছে ফিরে যাও। রানিকে বলবে (আল্লাহ বলেছেন) ‘আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে এমন সেনাবাহিনী পাঠাব, যার মোকাবেলা করার শক্তি তাদের নেই। আমি তাদেরকে অপদস্থ করে সেখান থেকে বহিষ্কার করব আর তারা অবনমিত হতে বাধ্য হবে।’
৩৮. এরপর সোলায়মান (যখন জানতে পারল রানি বিলকিস আসছে, তখন) সভাসদদের জিজ্ঞেস করল, ‘তারা আত্মসমর্পণ করতে আসার আগেই তোমাদের মধ্যে কে আমাকে তার সিংহাসন এনে দিতে পারবে?’
৩৯. (সোলায়মানের সভাসদ) এক সাহসী জ্বীন বলল, ‘আপনি আসন ত্যাগ করার পূর্বেই আমি তা এনে দেবো। এটা করার ক্ষমতা আমার আছে আর আমি বিশ^স্তও।’ ৪০. ওহীর জ্ঞানে অন্তর আলোকিত যার, সে বলল, ‘চোখের পলক ফেলার আগেই তা এনে দেবো।’ সোলায়মান যখন চোখের সামনে সিংহাসন দেখল, তখন (শুকরিয়া আদায় করে) বলল, ‘এ আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ-আমি কৃতজ্ঞ, না অকৃতজ্ঞ তা পরীক্ষার জন্যে। আসলে যে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে তা নিজের কল্যাণেই করে। আর যে অকৃতজ্ঞ সে জেনে রাখুক, আমার প্রতিপালক অভাবমুক্ত, মহামহান।’
মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১৯১
নাফি‘ (রহ:) হতে বর্ণিত-
ইবনু উমর (রা:) দুই দিন ছাড়া অন্য সময়ে চাশতের সালাত আদায় করতেন না, যেদিন তিনি মক্কায় আগমন করতেন। তাঁর অভ্যাস ছিল যে, তিনি চাশতের সময় মক্কায় আগমন করতেন। তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করার পর মাকামে ইবরাহিমের পিছনে দাঁড়িয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। আর যেদিন তিনি কুবা মসজিদে গমন করতেন। তিনি প্রতি শনিবার সেখানে গমন করতেন এবং সেখানে সালাত আদায় না করে বেরিয়ে আসা অপছন্দ করতেন। নাফি (রহ:) বলেন, তিনি (ইবনু উমর (রা:)) হাদিস বর্ণনা করতেন যে, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কুবা মসজিদ জিয়ারত করতেন- কখনো সওয়ারীতে, কখনো পদব্রজে।
