সূরা নমল
পারা ১৯-২০, আয়াত ৯৩, রুকু ৭ (মাক্কী)
৬৩. (হে নবী! ওদের জিজ্ঞেস করো) জমিনে বা পানিতে গভীর অন্ধকারে কে তোমাদের পথ প্রদর্শন করেন? অনুগ্রহ প্রেরণের পূর্বে কে সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন? অতএব আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য (এ-কাজে শরিক) থাকতে পারে কি? (না, কখনো নয়।) আসলে ওরা যাকে শরিক করে, আল্লাহ তা থেকে অনেক অনেক ঊর্ধ্বে।
৬৪. (হে নবী! ওদের জিজ্ঞেস করো) কে প্রথম সবকিছু সৃষ্টি করেছেন? কে তা পুন:সৃজন করবেন? কে তোমাদের আকাশ ও পৃথিবী থেকে জীবনোপকরণ দান করেছেন? অতএব আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য (এ-কাজে শরিক) থাকতে পারে কি? (না, কখনো নয়।) (হে নবী! শরিককারীদের) বলো, তোমাদের দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ থাকলে তা উপস্থিত করো।
৬৫. (হে নবী!) বলো, আল্লাহ ছাড়া মহাকাশ ও পৃথিবীর কারোই গায়েব-এর জ্ঞান নেই এবং কখন তারা পুনরুত্থিত হবে, তা-ও কারো জানা নেই। ৬৬. আসলে আখেরাত সম্পর্কে ওদের জ্ঞান লোপ পেয়েছে। বরং বলা যায়, এ ব্যাপারে ওরা সন্দিগ্ধ, পুরোপুরি অন্ধ!
সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১২০২
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস্‘ঊদ (রা:) হতে বর্ণিত-
আমরা সালাতের (বৈঠকে) আত্তাহিয়্যাতু বলতাম, তখন আমাদের একে অপরকে সালামও করতাম। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) তা শুনে ইরশাদ করলেন : তোমরা বলবে- ‘‘যাবতীয় মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহরই জন্য। হে (মহান) নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত (বর্ষিত) হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর সালিহ্ বান্দাদের প্রতি; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ্ নেই। এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রাসূল।”
কেননা, তোমরা এরূপ করলে আসমান ও যমীনে আল্লাহর সকল নেক বান্দাকে তোমরা যেন সালাম করলে।
