সূরা শু’আরা
পারা ১৯, আয়াত ২২৭, রুকু ১১ (মাক্কী)
৮৬. (হে আমার প্রতিপালক!) ‘আমার পিতাকে ক্ষমা করো, তিনি পথভ্রষ্ট। ৮৭. তবুও মহাবিচার দিবসে পুনরুত্থিত সবার সামনে আমাকে লজ্জিত কোরো না। ৮৮. সেদিন অর্থবিত্ত, সন্তানসন্ততি কোনো কাজে আসবে না। ৮৯. সেদিন বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে যে আল্লাহর কাছে হাজির হবে, সে-ই সার্থক হবে।’
৯০. (মহাবিচার দিবসে) আল্লাহ-সচেতনদের দৃষ্টির সীমানায় জান্নাতকে নিয়ে আসা হবে। ৯১. আর পথভ্রষ্টরা দেখতে পাবে জাহান্নামের লেলিহান শিখা। ৯২-৯৩. তখন ওদের জিজ্ঞেস করা হবে, ‘আল্লাহর পরিবর্তে যাদের উপাসনা করতে, তারা এখন কোথায়? ওরা কি এখন তোমাদের কোনো সাহায্য করতে পারবে, না নিজেদের রক্ষা করতে পারবে?’
৯৪-৯৫. ইবলিসের বাহিনীসহ ওদের সবাইকে নি¤œমুখী করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। ৯৬-১০১. তখন ওরা একজন আরেকজনকে দোষারোপ করে বলবে, ‘আল্লাহর শপথ! আমরা তো তখন সত্যিকার অর্থেই বিভ্রান্ত ছিলাম। আমরা অহেতুক আমাদের কল্পিত উপাস্যদের মহাবিশে^র প্রতিপালকের সমকক্ষ মনে করেছি। যারা আমাদের বিভ্রান্ত করেছে, তারাই আসল দুরাচারী। হায়! এখন আমাদের কোনো সুপারিশকারীও নেই, নেই কোনো সুহৃদ! ১০২. (ওরা বলবে) হায়! যদি আমরা একবার পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেতাম, তবে অবশ্যই আমরা বিশ^াসীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১৪৬
আসওয়াদ (রা:) হতে বর্ণিত-
আমি আয়িশা (রা:)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত কেমন ছিল? তিনি বলেন, তিনি প্রথমাংশে ঘুমাতেন, শেষাংশে জেগে সালাত আদায় করতেন। অত:পর তাঁর শয্যায় ফিরে যেতেন, মুয়াজ্জিন আযান দিলে শীঘ্র উঠে পড়তেন, তখন তাঁর প্রয়োজন থাকলে গোসল করতেন, নইলে ওযু করে (মসজিদের দিকে) বেরিয়ে যেতেন।
