সূরা শু’আরা
পারা ১৯, আয়াত ২২৭, রুকু ১১ (মাক্কী)
১১২-১১৩. নূহ বলল, ‘(আমার কাছে আসার আগে) তাদের অবস্থা কী ছিল, সে-সম্পর্কে আমার কতটুকুই বা জ্ঞান আছে? ওদের (অবস্থানের) হিসাব নেয়ার দায়িত্ব আমার প্রতিপালকের। বিষয়টি যদি তোমরা বুঝতে (তাহলে তোমরাই উপকৃত হতে)। ১১৪-১১৫. অতএব আমার ওপর যারা বিশ^াস স্থাপন করেছে, তাদের তো আমি তাড়িয়ে দিতে পারি না। আমি তো শুধু একজন স্পষ্ট সতর্ককারী!’
১১৬. ওরা জবাবে বলল, ‘হে নূহ! তুমি যদি (তোমার প্রচারণা থেকে) বিরত না হও, তবে তোমাকে আমরা পাথর মেরে হত্যা করব!’
১১৭-১১৮. নূহ তখন প্রার্থনা করল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার সম্প্রদায় তো আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সুতরাং তুমি আমার ও ওদের মধ্যে চূড়ান্ত ফয়সালা করে দাও। আমাকে ও আমার সঙ্গী বিশ^াসীদের রক্ষা করো।’ ১১৯-১২০. শেষ পর্যন্ত আমি নূহ ও তার সঙ্গীদের নৌকায় উঠিয়ে রক্ষা করলাম। আর অবশিষ্ট সবাইকে ডুবিয়ে দিলাম।
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১৪৮
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা:) হতে বর্ণিত-
রাতের কোন সালাতে আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে বসে কিরাত পড়তে দেখিনি। অবশ্য শেষ দিকে বার্ধক্যে উপনীত হলে তিনি বসে কিরাত পড়তেন। যখন (পঠিত) সূরার ত্রিশ চল্লিশ আয়াত অবশিষ্ট থাকত, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং সেগুলো পড়ার পর রুকু করতেন।
