Logo
Logo
×

জাতীয়

সেনা-র‌্যাব পরিচয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

asif

asif

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

সেনা-র‌্যাব পরিচয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি - সেনাবাহিনী ও সদ্য বিলুপ্ত হওয়া র‌্যাবের সদস্য পরিচয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার বিএম ইব্রাহিম ওরফে ‘তালা ইব্রাহিমকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে কয়টি মামলা রয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সাবেক নেতা বা কর্মী ছিলেন কিনা, সেটিও নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। পুলিশ বলছে, ইব্রাহিম যুবদলের পদধারী নেতা ছিলেন। তবে ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর নানা অপকর্মের অভিযোগে ৩৩ নাম্বার ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর বিভিন্ন ব্যক্তির বাসায় তালা মেরে টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ কারণে এলাকায় তিনি ‘তালা ইব্রাহিম’ নামে পরিচিত হন। তার বিরুদ্ধে গণধর্ষণসহ আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় ইব্রাহিমসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন জাহিদ হাসান (২৭) নামে এক ব্যবসায়ী। মামলায় ইঞ্জিনিয়ার বিএম ইব্রাহিম (৩৬) ও দীপক (৩৬) নামে দুজনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। এজাহারে বলা হয়েছে, ওই বাসায় থাকা এক নারী সহকর্মীর জন্য খাবার নিয়ে গিয়েছিলেন বাদী। এ সময় আসামিরা নিজেদের সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্য পরিচয় দেন। তাদের হাতে ওয়াকিটকি এবং পরনে সিভিল পোশাক ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, আসামিরা তার ব্যবসায় বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে তার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে নেন এবং আরও টাকা সংগ্রহের জন্য ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। ওই বাসায় থাকা দ্বিতীয় সাক্ষীর কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা ও বাদীর হাতঘড়ি নিয়ে নেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আসামিদের কর্মকা-ের প্রতিবাদ করায় দ্বিতীয় সাক্ষীকে টানাহেঁচড়া ও মারধর এবং শ্লীলতাহানি করা হয়। পরে বাদী ও সাক্ষীকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে দ্রুত আরও টাকা সংগ্রহ করতে বলা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর ভাষ্য, একপর্যায়ে তিনি কৌশলে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসাটির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। এরপর পুলিশ সাক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে আশপাশের লোকজনকে সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তিদের দেখায়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইব্রাহিম ও দীপকের নাম ও মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। অন্য আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ এবং স্বজন ও পরিচিতদের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় এসে মামলা করায় বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন বাদী।

 

 

সম্পর্কিত খবর

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সাগরে নি¤œচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

সাগরে নি¤œচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

ঢাকা মেডিকেলে অসহায় রোগীদের টার্গেট করছে দালালরা: পরিচালক

ঢাকা মেডিকেলে অসহায় রোগীদের টার্গেট করছে দালালরা: পরিচালক

সব ধরনের নির্বাচনের প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে রুল

সব ধরনের নির্বাচনের প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে রুল

নেপালে ভ্রমণে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্কবার্তা

নেপালে ভ্রমণে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্কবার্তা

নতুন করে গণভোটের কথা বলা সরকারের অপকৌশলেরই অংশ: নাহিদ ইসলাম

নতুন করে গণভোটের কথা বলা সরকারের অপকৌশলেরই অংশ: নাহিদ ইসলাম

Logo

সম্পাদক : এস.এম জাহিদ আনোয়ার শামীম