শেখ হাসিনার জন্মদিনের কেক ওসির জন্য রেখে যাওয়ার ভিডিও প্রচার
asif
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
নিজস্ব প্রতিনিধি-: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের জন্য থানার কাছেই একটি কেক রেখে গেছেন নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও প্রচার হয়েছে। যদিও সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআই দিয়ে বানানো ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, গত সোমবার রাতে জেলা শহরের টিএরোড ফকিরাপুলের ওপর কেকটি রেখে যান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের পরিচালিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন পেজে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভিডিওটিতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানার সম্মানিত ওসির জন্য কেকটি পাঠানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যাশার কথাও বলা হয় ভিডিওতে। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে নিহত পুলিশ সদস্যদের হত্যার বিচার এবং ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন বলেও দাবি করা হয়। ভিডিওতে সদর মডেল থানার ওসিকে কেকটি সহকর্মী এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে খাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এ ছাড়া রেখে যাওয়া কেকটির ওপর লেখা ছিল, ‘শুভ জন্মদিন শেখ হাসিনা’। এর নিচে লেখা ছিল, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসির জন্য।’ কেকটিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ছবিও আঁকা ছিল। এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী জানান, বাস্তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এই শহরে কোনো অস্তিত্ব কিংবা ভিত্তি নেই। ওরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করার জন্য এসব করছে। আমরা মনে করি, এসব কিছু করে তারা কোনোভাবে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে পারবে না। এদের বিষয়ে বরাবরের মতো সতর্ক এবং সোচ্চার আছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি খাইরুল আলম বলেন, কেক রেখে যাওয়ার ঘটনার বাস্তবে কোনো ভিত্তি নেই। এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা তাদের বিষয়ে সতর্ক আছি। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পুলিশ দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
