ফাঁসি হলেও আমরা আওয়ামী লীগই করবো: সাবেক এমপি সাবিনা তুহিন
asif
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
নিজস্ব প্রতিবেদক - আওয়ামী লীগ করার অপরাধে যদি আমার ফাঁসি হয়, আমরা আওয়ামী লীগই করবো। জেল কত খাটাবেন? আমরা রাজনীতি করছি, হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা নিরপরাধ তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ করি, রাজনীতি করা আমার গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চার্জ গঠনের শুনানির জন্য আদালতে আনা হলে শুনানি না হওয়ায় কারাগারে নেওয়ার পথে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন। জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকা-ে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় অবশিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল বুধবার বিকালে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত না থাকায় নির্ধারিত সময়ে চার্জ গঠন বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ আগামী ১৫ অক্টোবর চার্জ গঠনের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ আলম শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। গত ১৪ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ পলাতক ২৬১ আসামিকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ১১ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। মামলাটি এর আগে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আব্দুস সালামের আদালতে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির পর্যায়ে ছিল। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দ্রুত বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য মামলাটি ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে বদলি করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ
