সূরা কাসাস
পারা ২০, আয়াত ৮৮, রুকু ৯ (মাক্কী)
২৯. নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে মুসা সপরিবারে যাত্রা করল এবং তুর পাহাড়ের পাদদেশে আগুন দেখতে পেল। সে তার পরিবারকে বলল, তোমরা এখানে অপেক্ষা করো। আমি দূরে আগুন দেখছি। আমি সেখানে হয়তো কোনো খবর পাব বা (নিদেনপক্ষে) তোমাদের আগুন পোহানোর জন্যে জ্বলন্ত কাঠ আনতে পারব।
৩০-৩২. যখন মুসা আগুনের কাছে পৌঁছল, তখন উপত্যকার ডানপাশের পবিত্র ভূমির এক গাছের পেছন থেকে তাকে বলা হলো, ‘হে মুসা! আমিই আল্লাহ! মহাবিশে^র প্রতিপালক!’ (নির্দেশ দেয়া হলো) ‘তোমার লাঠি নিক্ষেপ করো।’ লাঠি ফেলার পর একে সাপের ন্যায় ছুটোছুটি করতে দেখে মুসা উল্টো দৌড় দিল, পেছন দিকেও আর তাকাল না। তাকে বলা হলো, ‘হে মুসা! ফিরে এসো। ভয় কোরো না। তুমি সম্পূর্ণ নিরাপদ। এবার বগলে তোমার হাত রাখো, সেটা সাদা পরিষ্কার উজ্জ্বল হয়ে বেরিয়ে আসবে। এবার তোমার দুই হাত বুকে রাখো, ভয় থেকে মুক্ত হও। এ দুটি তোমার প্রতিপালকের দেয়া উজ্জ্বল নিদর্শন, ফেরাউন ও তার সভাসদদের দেখানোর জন্যে। ওরা অবশ্যই সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।’
৩৩-৩৪. মুসা বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো ওদের একজনকে হত্যা করেছি। আমার ভয় হয়, ওরাও আমাকে হত্যা করবে। আর আমার ভাই হারুন আমার চেয়ে ভালো বলতে পারে, তাকে আমার সহযোগী করে দাও। সে আমাকে সমর্থন করবে। কারণ আমি আশঙ্কা করছি, ওরা আমাকে মিথ্যাবাদী বলবে।’
সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১২২৩
আবূ হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত-
লোকেরা বলে আবু হুরায়রা (রা:) অধিক হাদিস বর্ণনা করেছেন। এক ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ হলে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর রসূল (ﷺ) গত রাতে ইশার সালাতে কোন সূরা পড়েছেন? লোকটি বলল, আমি জানি না। আমি বললাম, কেন, তুমি কি সে সালাতে উপস্থিত ছিলে না? সে বলল, হ্যাঁ, ছিলাম। আমি বললাম, আমি কিন্তু জানি তিনি অমুক অমুক সূরা পড়েছেন।
