আল কোরআন
সূরা আনকাবুত
পারা ২০-২১, আয়াত ৬৯, রুকু ৭ (মাক্কী)
২০. (হে নবী! ওদের) বলো, ‘সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়াও। দেখ, আল্লাহ কীভাবে সৃষ্টির সূচনা করেছেন। একইভাবে আল্লাহ পুনরায় সৃষ্টি করবেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।’
২১-২২. (অপরাধের জন্যে) তিনি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন, যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করেন। তোমরা তাঁর কাছেই ফিরে যাবে। জমিনের গভীরে বা আকাশের উচ্চতায়-যেখানেই লুকাও না কেন, কখনো তাঁর এখতিয়ারের বাইরে যেতে পারবে না। আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোনো অভিভাবক বা সাহায্যকারী নেই।
২৩. যারা আল্লাহর বাণী ও আখেরাতে তাঁর সামনে জবাবদিহিতাকে সত্য বলে মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তারাই আল্লাহর ক্ষমা ও করুণার ব্যাপারে নিরাশ হবে। ওদের জন্যে অপেক্ষা করছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
আল হাদিস
ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ২০৪৯
আনাস (রা:) হতে বর্ণিত-
আবদুর রহমান ইবন আওফ (রা:) মদীনায় আগমন করলে নবী (ﷺ) তাঁর ও সাদ ইবন রাবী আনসারীর মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন করে দেন। সাদ (রা:) ধনী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি আবদুর রহমান (রা:)-কে বললেন, আমি তোমার উদ্দেশ্যে আমার সম্পত্তি অর্ধেক অর্ধেক ভাগ করে নিতে চাই এবং তোমাকে বিবাহ করিয়ে দিতে চাই।
আল্লাহ তোমার পরিবার ও সম্পদে বরকত দান করুন। আমাকে বাজার দেখিয়ে দাও। তিনি বাজার হতে মুনাফা করে নিয়ে আসলেন পনির ও ঘি। এভাবে কিছুকাল কাটালেন। একদিন তিনি এভাবে আসলেন যে, তাঁর গায়ে বিয়ের হলুদ রঙের চিহ্ন লেগে আছে। নবী (ﷺ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি জনৈকা আনসারী মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি [নবী (ﷺ)] জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কী দিয়েছ? তিনি বললেন, খেজুরের একটি আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তিনি [নবী (ﷺ)] বললেন, একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর।
