সূরা শু’আরা
পারা ১৯, আয়াত ২২৭, রুকু ১১ (মাক্কী)
৭৫-৭৬. ইব্রাহিম জিজ্ঞেস করল, তোমরা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষরা কখনো ভেবে দেখেছ কি, কীসের উপাসনা করছ?
৭৭. (ইব্রাহিম বলল, আমি নিজের ব্যাপারে জানি যে, এই কল্পিত উপাস্যরা আমার সাহায্যকারী নয়) এরা আমার শত্রু। মহাবিশে^র প্রতিপালকই আমার সাহায্যকারী। ৭৮. তিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনিই আমাকে সত্যপথ দেখিয়েছেন। ৭৯. তিনিই আমাকে খাবার ও পানীয় দান করেন। ৮০. অসুস্থ হলে তিনিই আমাকে সুস্থ করেন। ৮১. তিনিই আমার মৃত্যু ঘটাবেন আবার তিনিই পুনরুত্থিত করবেন। ৮২. আমি আশা করি, মহাবিচার দিবসে তিনি আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।
৮৩. (এরপর ইব্রাহিম প্রার্থনা করল) ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে প্রজ্ঞা দান করো এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের সাথে সঙ্ঘবদ্ধ করো! ৮৪. পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে সত্যের জ্ঞানকে সঞ্চালিত করার শক্তি দান করো। ৮৫. আমাকে জান্নাতুন নাঈমের অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করো!’
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১৪৫
আবূ হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত-
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন: মহামহিম আল্লাহ তা’আলা প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেন: কে আছে এমন, যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে এমন যে, আমার নিকট চাইবে। আমি তাকে তা দিব। কে আছে এমন যে আমার নিকট ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব।
