পবিপ্রবি'র শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, ৫ জনের নামে মামলা
asif
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
পটুয়াখালী প্রতিনিধি-:পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২য় সেমিস্টারের এক নারী শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে। জানাগেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণ দুমকী গ্রামের তালুকদার বাড়ি সংলগ্ন জামিয়া-ই-ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার পূর্বপাশে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী ২৩ সেপ্টেম্বর ( বুধবার) দুমকী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ওই শিক্ষার্থী তাঁর এক বন্ধুকেসহ অটোরিকশা নিয়ে ঘুড়তে বের হয়। ঘটনাস্থলে পৌছতেই এজাহার নামীয় আসামিরা তাঁদের অটোরিকশার গতিরোধ করে। তাঁর বন্ধুকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে নিয়ে যায় এবং তার সাথে থাকা সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা, ব্যাগ ও ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেয়। ওই শিক্ষার্থী আরো জানান, আসামিরা তাঁর বন্ধুকে নির্জনে নিয়ে আটকে রাখে। কয়েকজন এসে অটোতে উঠে তাঁর ব্যাগ টানাটানি করেন এবং তাঁর শরীর স্পর্শ করেন। এবং তাঁর কাছে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়। তিনি ডাক চিৎকার করলে লোকজন জড়ো হয় এবং আসামিরা পালিয়ে যায়। অভিযুক্তরা হলেন,খলিল মৃধার ছেলে রিফাত মৃধা,সাত্তার তালুকদারের ছেলে হাসান তালুকদার,হানিফ তালুকদারের ছেলেমাহিন তালুকদার, জলিল হাওলাদারের ছেল জাহিদ হাওলাদার, আব্দুর রব তালুকদারের ছেলে রফিক তালুকদার ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন। অভিযুক্তরা দক্ষিণ দুমকী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাম না বলার শর্তে জানান, ডাকচিৎকার শুনতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং ওই শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে দুমকীতে পাঠিয়ে দেন। তিনি না থাকলে হয়তো অন্যকোন অনাকাক্সিক্ষত দূর্ঘটনা ঘটতে পারতো বলে জানান। ঘটনার বিষয়টি জানতে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খানকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরক্ষনে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে খুদে বার্তায় বিষয়টি গুজব বলে জানান। পবিপ্রবি'র রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. জামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি যদিও বিশ^বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বাইরে ঘটেছে তবুও ওই শিক্ষার্থীর পক্ষে মোরাল সাপোর্ট রয়েছে। তিনি আরো জানান, একজন নারী কখন মামলা করে বিষয়টি বুঝতে হবে। দুমকী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন জানান, বিষয়টি বিশ^বিদ্যালয় কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামিরা পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
